• Welcome to Daffodil Computers Ltd..
 

News:

Daffodil Computers Limited is a leading It solution & education solution public company with a good relation to customers it has earned big respect from clients

Main Menu
Menu

Show posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Show posts Menu

Topics - sabuj

#1

যেভাবে বুঝবেন আপনার হার্ডড্রাইভটি নষ্ট হচ্ছে


কম্পিউটারে তথ্য ধরে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি যন্ত্রাংশ হার্ডড্রাইভ। যেকোনো ইলেকট্রনিকস যন্ত্রের মতোই এই ডিভাইসটির আয়ুষ্কাল আছে। তবে আয়ুর বিষয়টি তাপমাত্রার ওঠানামা, আর্দ্রতা ও নানা বাহ্যিক অবস্থার ওপরও নির্ভর করে। নির্দিষ্ট সময় ব্যবহারের পরে হার্ডড্রাইভ নষ্ট হয়ে যায়। তাই আগে থেকে সচেতন থাকতে হবে ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে যেন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারিয়ে না যায়। হার্ডড্রাইভ নষ্টের বেশ কিছু লক্ষণ আছে। হার্ডড্রাইভ থেকে যদি একই শব্দ বারবার শোনা যায় বা কোনো কিছু গুঁড়া করার মতো শব্দ আসতে থাকে, তবে বুঝতে হবে হার্ডড্রাইভের আয়ু প্রায় শেষের পথে। বারবার শব্দ আসার বিষয়টিকে 'ক্লিক অব ডেথ' বলা হয়। কোনো কিছু রাইট করতে বা এরর ঠিক করার প্রক্রিয়ার সময় এ শব্দ তৈরি হয়। কোনো সফটওয়্যার বা ফোল্ডার খোলার সময় তুলনামূলকভাবে গতি কম হলে কিংবা কম্পিউটার হ্যাং করলে, এ ছাড়া 'ব্লু স্ক্রিন অব ডেথ' দেখালে বুঝতে হবে হার্ডড্রাইভের আয়ু শেষের পথে।

এ ধরনের সমস্যা হয়তো সব সময় দেখবেন না; কিন্তু উইন্ডোজ সেফ মোড বা নতুন করে ইনস্টলেশন দেওয়ার সময় যদি এ ধরনের সমস্যা দেখেন, তবে বুঝবেন আপনার পিসির হার্ডড্রাইভটা ঠিকমতো কাজ করছে না।

অনেক সময় কোনো ফাইল না খোলা এবং কোনো কারণ ছাড়াই ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়া বা ফাইল করাপ্ট হয়ে যাওয়া হার্ডড্রাইভ নষ্টের পূর্ব লক্ষণ।

যদি খুব বেশি হার্ডড্রাইভে ব্যাড সেক্টর দেখতে পান, তবে বুঝবেন হার্ডড্রাইভের অবস্থা শোচনীয়। ব্যাড সেক্টর হচ্ছে হার্ডড্রাইভের ত্রুটিপূর্ণ এলাকা, যে এলাকাগুলো ডাটা রিড বা রাইট করার অনুরোধ পেলেও সাড়া দেয় না।


Source: https://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2020/11/08/973615
#2

Human Resource Development Institute (HRDI) offer করছে "Professional Video Editing" কোর্স


বর্তমান যুগে টেকনোলজিক্যাল স্কিল ছাড়া টিকে থাকা কঠিন । তার সাথে প্রতিষ্ঠানিক প্রমোশন ছাড়া প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখাও কঠিন । সেই প্রমোশনের জন্য ভিডিও ও তথ্যচিত্রসহ অন্যতম ভূমিকা পালন করে । বর্তমানে মার্কেটিংয়ের জন্য অন্যতম ভিডিও ও তথ্যচিত্র।
বিজ্ঞাপন, মিউজিক ভিডিও, চলচ্চিত্র, নাটক, শর্ট ফিল্ম ও তথ্যচিত্রসহ সব মাধ্যম গুলোতে আমরা যে ভিডিও গুলো দেখে থাকি, তার বেশীর ভাগ ভিডিও কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রফেশনাল ব্যক্তিগণ তৈরি করে থাকেন। বর্তমানে টিভি মিডিয়া, অনলাইন মিডিয়া ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলোতে ভিডিও এডিটরও ভিডিওগ্রাফার এর রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। দিন দিন ভিডিও এডিটিং ও ভিডিওগ্রাফির কাজের চাহিদা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি বৃদ্ধি পাচ্ছে না এডিটর ও ভিডিওগ্রাফার। তাই এখন যে কেউ চাইলে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন একজন প্রফেশনাল ভিডিওগ্রাফার ও ভিডিও এডিটর হিসেবে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির, Human Resource Development Institute (HRDI) offer করছে "Professional Video Editing" কোর্স । আর এই কোর্সটিতে রয়েছে ভিডিওগ্রাফি ও ভিডিও এডিটিং শেখার যাবতীয় কলা কৌশল। এই কোর্সটি করলে আপনার প্রতিষ্ঠানের ভিডিও, বিজ্ঞাপন বা তথ্যচিত্র তৈরি করতে অন্য কারো দারস্ত হতে হবে নাহ । আপনার প্রতিষ্ঠানের থেকে যে কেউই এই কোর্সটি করতে পারবে এবং পরবর্তীতে সে নিজেই আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য অতি সহজে ভিডিও, বিজ্ঞাপন বা তথ্যচিত্র তৈরি করতে পারবে ।


"It's NOT the job you DO, It's HOW you Do the Job"
 
http://dolphindigital.net/r/Zyd

Big
Discount

Course fee: 
Old: BDT 2,000
Now: BDT 1,500  only for General

Old: BDT 1500 
Now: BDT 1,000 only for Daffodil Family

কোর্সটিতে আপনি যা যা শিখতে পারবেন :

Make Your Own Video, What is Shot video shot sizes
Make Drama video sequence
Make News or documentary video sequence
Make a video sequence Chroma ( green screen ) Double role character (videography and software)
Tools for video editing, Video effects, Video transaction, Premiere pro cc Audio effects, Chroma এবং,
Make a video sequence, video effects Export video for web and digital media

বিস্তারিত আরো জানতে ভিজিট করুনঃ  https://hrdinstitute.org/#


রেজিস্ট্রেশন করতে ভিজিট করুনঃ http://dolphindigital.net/r/Zyd


অথবা যোগাযোগ কল করুনঃ
Mr. Obayed Chowdhury (01811458845) এবং
Mr. Tarekol Islam Sobuj  (Cell: 01847-140059
#3

শুরু হচ্ছে বৈশ্বিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরাম


আগামীকাল ১২ ও ১৩ নভেম্বর ১১তম বৈশ্বিক মোবাইল ব্রডব্যান্ড ফোরাম আয়োজন করছে হুয়াওয়ে। উন্মুক্ত এ অনলাইন ফোরামে বৈশ্বিক ক্যারিয়ার, ইন্ডাস্ট্রি চেইন পার্টনার, শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। চীনের সাংহাইয়ে কেরি হোটেল পুডং -এ এই ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে।

মূল প্রতিপাদ্য, খাত সংশ্লিষ্ট আলোচনা এবং প্রদর্শনী এই তিন মূল ভাগে পুরো আয়োজনটাকে সাজানো হয়েছে। উন্নয়নে ফাইভজি, নতুন উপযোগিতা সৃষ্টিতে  এর ব্যবহার এবং ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, এ বিষয়গুলো নিয়ে মূলবক্তব্য উপস্থাপিত হবে।

হুয়াওয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফোরাম চলাকালীন আইসিটি নেতৃবৃন্দগণ ফাইভজি'র বিজনেস সাইকেল নিয়ে আলোচনা করবেন। এর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে এর নতুন ওয়্যারলেস স্ট্রাটেজি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের রোডম্যাপ উন্মোচন করবে এবং এ খাতের অন্যান্য অংশীদারদের সাথে হুয়াওয়ে ৫.৫জি'র নতুন তিনটি প্রেক্ষাপটও উন্মোচন করবে।

অনুষ্ঠানে ক্লাউড নিয়েও বিস্তারিত আলোচিত হবে। যার মধ্যে রয়েছে আইসিটি খাতের মান ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা; ২৪/৭ অন-ক্লাউড ব্রডকাস্ট; অনলাইন অথবা অফলাইন অ্যাকসেস; বিভিন্ন টাইম জোনে নানা ভাষায় হলোগ্রাফিক লাইভ স্ট্রিমিং এবং এ খাতসংশ্লিষ্ট শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে হুয়াওয়ে বান্ড নাইট টক।

এ ফোরামে উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ওয়্যারলেস প্রযুক্তির ব্যবহার দেখানো হবে। হুয়াওয়ে ও এর অংশীদারেরা ফাইভজি প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে দশটিরও বেশি সফল ব্যবহার দেখাবে। এর সাথে ব্যক্তিগত ও শিল্প সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্যে একহাজারের বেশি ফাইভজি টার্মিনাল ও মডিউল নিয়ে নতুন ইকোসিস্টেম এবং ফাইভজি'র বাণিজ্যিক অভিজ্ঞতার দশটিরও বেশি টাচপয়েন্ট প্রদর্শিত হবে এ ফোরামে।

আগ্রহীরা ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মূল বক্তব্য শুনতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বিনামূল্যে, নিবন্ধন করতে হবে এই লিঙ্কের মাধ্যমে: https://agenda.events.huawei.com/MBBF2020/index.html#/sign^en?src=web^en


#4

১৮ ওয়াটের কুইক চার্জিং, এআই কোয়াড ক্যামেরা নিয়ে বাজারে রিয়েলমি সি১৫


স্মার্টফোন বাজারে এখন রিয়েলমির জয়জয়কার। আকর্ষণীয় দামে সেরা হার্ডওয়্যারের সঙ্গে অত্যাধুনিক ফিচারে রিয়েলমির স্মার্টফোনগুলো তরুণদের মন জয় করে নিয়েছে। আর সি সিরিজের ফোনগুলো খুব সহজেই স্মার্টফোন ফ্যানদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রিয়েলমি এবার নিয়ে এলো সি১৫-কোয়ালকম এডিশন। ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, ১৮ ওয়াটের কুইক চার্জিং ও এআই কোয়াড ক্যামেরার এই ফোনে আর কী কী সুবিধা আছে, চলুন দেখে নেওয়া যাক।

৪৮ দিনের স্ট্যান্ডবাইসহ ছয় হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারির সঙ্গে অনন্য ডিজাইন

বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেড়ে গেছে অনেকটাই। প্রেজেন্টেশন তৈরি, গান শোনা, মুভি কিংবা টিভি সিরিজ দেখা, আর অনলাইন গেমিং তো আছেই। শক্তিশালী ব্যাটারি ছাড়া তো এখন স্মার্টফোন ভাবাই যায় না। আর তাই সি সিরিজের সর্বশেষ এই ফোনে আছে ছয় হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি, যা একবার সম্পূর্ণ চার্জে দিবে ১৪ ঘণ্টার বেশি, অনলাইন গেমিং বা ২৬.৮ ঘণ্টা মুভি দেখা বা প্রায় ১১৯ ঘণ্টা অডিও প্লেব্যাক অথবা প্রায় ৪৬ ঘণ্টা কল টাইম পাওয়া যাবে এই ফোনে। এছাড়া সম্পূর্ণ ব্যাটারিতে দিবে ৪৮ দিনের স্ট্যান্ডবাই।

ফোনটিতে আছে 'অ্যাপ কুইক ফ্রিজার'; যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর আপনার অব্যবহৃত অ্যাপগুলো বন্ধ করে ব্যাটারির সাপোর্ট বাড়াতে সাহায্য করবে। এর পাশাপাশি উন্নত স্ক্রিন ব্যাটারি অপটিমাইজেশন এবং এআই পাওয়ার সেভিংয়ের ফলে পাওয়া যাবে চমৎকার ব্যাটারি ব্যাকআপ। সি১৫-কোয়ালকম এডিশনে আছে রিভার্স চার্জিংয়ের সুবিধাও, যার ফলে এই ফোনটিকে পাওয়ার ব্যাংক হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। মাইক্রো ইউএসবি ওটিজির মাধ্যমে অন্য ফোনও চার্জ দেওয়া যাবে। আর ১৮ ওয়াটের কুইক চার্জিং এর বিশাল ব্যাটারির ২৮ শতাংশ চার্জ হবে মাত্র ৩০ মিনিটেই।

রিয়েলমি সি১৫-কোয়ালকম এডিশনে ব্যবহার হয়েছে দৃষ্টিনন্দন জ্যামিতিক ডিজাইন। পেছনের ট্রাপিজোয়েড কভার এ অংশটিকে ৩টি ভাগে বিভক্ত করেছে। একেক দিক থেকে আলো পড়লে বিভিন্ন রঙের বিচ্ছুরণ হয়। ভিউ অ্যাঙ্গেল পরিবর্তিত হওয়ার সাথে সাথে প্রতিটি এলাকার রং এবং আলোও পরিবর্তিত হয়।

রাতের অসাধারণ সব ছবি তুলতে সুপার নাইটস্কেপ মোডের এআই কোয়াড ক্যামেরা

রিয়েলমি সি১৫-কোয়ালকম এডিশনে আছে এআই কোয়াড রিয়ার ক্যামেরা। ১৩ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরায় এফ/২.২-এর বড় অ্যাপারচার। ৮ মেগাপিক্সেলের ১১৯-ডিগ্রি আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরায় দৃষ্টিসীমানার পুরোটাই পাবেন একটি ফ্রেমে। এর অনন্য সব পোর্ট্রেট তোলার জন্য আছে ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট ও রেট্রো লেন্স। এ দুটো লেন্সের সমন্বয়ে স্পেশাল ইফেক্টে চমৎকার সব ছবি তোলা যাবে। এছাড়া সি১৫-কোয়ালকম এডিশনের নাইটস্কেপ মোডে অল্প আলোতেও রাতের ছবিতে মিলবে অসাধারণ ডিটেইল।

তাছাড়া ৮ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড ফ্রন্ট ক্যামেরায় তোলা যাবে দুর্দান্ত সেলফি। ক্রোমাবুস্টের ব্যবহারে ছবি হবে আরো উজ্জ্বল ও রঙিন। ৩০ ফ্রেমে ১০৮০ পিক্সেলে ভিডিওর পাশাপাশি ক্যামেরায় আছে টাইম-ল্যাপ্স ও এইচডিআর সুবিধা।

শক্তিশালী প্রসেসরে গেমিং হবে আরো মজাদার

রিয়েলমি সি ১৫-কোয়ালকম এডিশনে ব্যবহার করা হয়েছে ১১ ন্যানোমিটারে স্ন্যাপড্রাগন ৪৬০ চিপসেট। অক্টা-কোর প্রসেসরের ব্যবহারে কোয়ালকমের এ চিপসেট সর্বোচ্চ ১.৮ গিগাহার্টজ গতিতে কাজ করতে পারে, ফলে কাজ ও গেমিং এ পাওয়া যাবে চমৎকার এক্সপেরিয়েন্স। ৪ গিগাবাইট এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যামের ব্যবহারে পারফরম্যান্স বাড়ার ব্যাটারির ওপরও চাপ কমাবে। দুটি ভ্যারিয়েন্ট এ ৬৪ গিগাবাইট এবং ১২৮ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজের পাশাপাশি মাইক্রো এসডি কার্ডের ব্যবহারে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানোর সুবিধাও রয়েছে।

সি সিরিজের আগের ফোনগুলো বাংলাদেশের স্মার্টফোন ফ্যানদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। অত্যাধুনিক ফিচারের সংযোজনে উন্নততর হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার অপটিমাইজেশনে মেরিন ব্লু ও সিগাল সিলভার-এ দুই রঙে সি সিরিজের নতুন এ ফোনটিও ৪/৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্টটি মাত্র ১২,৯৯০ টাকায় এবং ৪/১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টটি মাত্র ১৪,৪৯০ টাকায় সবার মন জয় করে নেবে। অতি শিগগিরই দুটি ভ্যারিয়েন্টই দেশব্যাপী পাওয়া যাবে। কেনার জন্য বিস্তারিত জানতে ক্লিক করতে পারেন- https://www.dolphin.com.bd/ এ।



Source: https://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2020/11/10/974347
#5

'মটো জি৮ পাওয়ার লাইট' নিয়ে দেশে মটোরোলা


'মটো জি৮ পাওয়ার লাইট' মডেলের স্মার্টফোন নিয়ে দেশের বাজারে এল মটোরোলা। সাড়ে ৬ ইঞ্চি মাপের এইচডি প্লাস স্ক্রিনের মটোরোলার ফোনটিতে রয়েছে ৫০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, ১৬ মেগাপিক্সেল ট্রিপল ক্যামেরা, ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ।

মটোরোলার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফোনটিতে মটোরোলার সিগনেচার স্টক অ্যান্ড্রয়েড এক্সপেরিয়েন্স ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশে মটোরোলার সহযোগী সেলেক্সট্রা লিমিটেড ফোনটি বিপণন করা হবে ১১ নভেম্বর থেকে। ফোনটি দারাজ প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে।

মটোরোলা মোবিলিটির সার্কভুক্ত দেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত মানি বলেন, 'বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বেশ কিছু অত্যাধুনিক এবং বেস্ট ইন ক্লাস স্মার্টফোন নিয়ে আমরা আবারও বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। শুরু হচ্ছে "মটো জি৮ পাওয়ার লাইট" মডেলের স্মার্টফোনটি দিয়ে।'

প্রশান্ত মানি আরও বলেন, 'বিশ্ববাজারে মটোরোলা একটি প্রভাবশালী ব্র্যান্ড। বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রযুক্তি উদ্ভাবন, মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন ও নিরাপদ স্টক অ্যান্ড্রয়েড এক্সপেরিয়েন্স থাকায় মটোরোলার পণ্য ব্যবহার করে বাংলাদেশের স্মার্টফোনপ্রেমীরা আনন্দিত হবেন।' দেশের বাজারে এখনো এর দাম ঘোষণা করেনি মটোরোলা।


Source: https://www.prothomalo.com/education/science-tech/%E0%A6%AE%E0%A6%9F%E0%A7%8B-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%AE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE
#6

এই ঘড়ি শুধু সময়ই বলে দেবে না


এই ঘড়ি শুধু সময়ই বলে দেবে না, রয়েছে বিস্ময়কর সব সুবিধা। এটি অ্যালার্ম ক্লক হিসেবে ব্যবহার হবে, রয়েছে থ্রি বিল্ট-ইন ইউভি-সি ল্যাম্প, যেটি আপনার ফোনকে জীবাণুমুক্ত করবে। ৯৯.৯ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও জীবাণু ধ্বংস করবে ১০ মিনিটে। আছে একটি ওয়্যারলেস চার্জার। জীবাণুনাশক ঘড়িটির দাম ধরা হয়েছে ৭৯.৯৯ ডলার। 

Source: https://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2020/11/05/972584
#7

ক্লাউড প্রযুক্তির ভিডিও কনফারেন্স আনল হুয়াওয়ে


হুয়াওয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশসহ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে 'হুয়াওয়ে ক্লাউড মিটিং' সুবিধা চালু করেছে। ডিভাইস ও ক্লাউডের অনন্য সমন্বয়ে তৈরি এই ভিডিও কনফারেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময়ে সর্বোচ্চ এক হাজার জন পর্যন্ত অংশগ্রহণকারী একসঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন। ডিভাইস-ক্লাউড সিনার্জি প্রযুক্তির সহায়তায় এ সলিউশনের মাধ্যমে যেকোনো কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, মিটিং রুম টার্মিনাল এবং স্মার্ট টিভির মধ্যে ডাটা শেয়ার ও ট্রান্সফার করা যাবে।
#8

দেশে এখন ১৬ কোটি ৭১ লাখ মোবাইল সংযোগ


এই করোনার মধ্যেও গত তিন মাসে দেশে মোট মোবাইল সংযোগ বেড়েছে। সোমবার প্রকাশিত বিটিআরসির সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক হিসাবে দেখা গেছে, দেশে মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ১৬ কোটি ৭১ লাখ ৯ হাজার। আগস্ট মাসে এই সংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার, জুলাইতে ১৬ কোটি ৪২ লাখ ৮২ হাজার আর জুনে ছিল ১৬ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার। তবে সংখ্যাটা মে মাসের চেয়ে কয়েক লাখ কম। কেননা মে মাসে সংযোগ ছিল ১৬ কোটি ১৫ লাখ ৬ হাজার।


Source: https://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2020/11/04/972197
#9

১৭৪ দেশকে হারিয়ে রোবটিকসে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ


যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ফার্স্ট গ্লোবাল আয়োজিত আন্তর্জাতিক রোবটিকস প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৭৪টি দেশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের একটি দল। গত শনিবার রাতে অনলাইনে প্রতিযোগিতাটির সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বিজয়ী দলের সদস্যরা হলো সুজয় মাহমুদ, রাজিন আলী, মাহি জারিফ, শাহরিয়ার সীমান্ত, আবরার জাওয়াদ, আয়মান রহমান, বিয়াঙ্কা হাসান, আরিবা নাওয়ার আনোয়ার, ফাইরুজ হাফিজ ফারিন ও জাহরা চৌধুরী। সবাই নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি রাজধানীর দ্য টেক একাডেমিতে রোবটিকস ও প্রোগ্রামিং শেখে তারা। 

পয়লা জুলাই থেকে শুরু হয়েছিল এবারের প্রতিযোগিতা। ১২ সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে ছিল তিনটি ধাপ—টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জ, সোশ্যাল মিডিয়া চ্যালেঞ্জ ও প্রশ্নোত্তর পর্ব। তিন ধাপ মিলিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ মোট ১১৭ পয়েন্ট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দেশ চিলি ও আলজেরিয়ার পয়েন্ট যথাক্রমে ১১৫ ও ১১২। 


২০১৭ সালে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক এই রোবটিকস প্রতিযোগিতায় প্রতিবছরই শতাধিক দেশ অংশ নেয়। মূলত অলিম্পিকের আদলে এই রোবটিকস প্রতিযোগিতাটি আয়োজিত হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলো তাদের একটি করে প্রতিনিধিদল পাঠায়। তাই প্রতিযোগিতাটি হাইস্কুল পর্যায়ের রোবটিকস অলিম্পিক হিসেবেই পরিচিত।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে আগ্রহী তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতেই ফার্স্ট গ্লোবালের এই আয়োজন। বিশ্বের যেকোনো দেশের ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে। প্রতিবছর ভিন্ন ভিন্ন দেশে প্রতিযোগিতার আসর বসলেও করোনা মহামারির কারণে পুরো প্রতিযোগিতাটি এবার অনলাইনে আয়োজিত হয়েছে।


Source: https://www.prothomalo.com/education/science-tech/%E0%A7%A7%E0%A7%AD%E0%A7%AA-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6
#10

অনুমোদন পেল প্রথম উড়ুক্কু গাড়ি


রাস্তায় জ্যামে বসে থাকতে থাকতে ক্লান্ত? উড়ুক্কু গাড়ির কথা মনে আসাই স্বাভাবিক। কিন্তু এত দিন কল্পনায় থাকা সেই উড়ুক্কু গাড়ি এখন বাস্তবে চলে এসেছে। নেদারল্যান্ডসের একটি প্রতিষ্ঠানের তৈরি উড়ুক্কু গাড়ি রাস্তায় চলার জন্য বৈধতা পেয়েছে। 'পাল-ভি লিবার্টি' নামের এই গাড়ি বিশ্বে প্রথম অনুমোদন পাওয়া উড়ুক্কু গাড়ি। এটি রাস্তায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতি তুলতে পারে।

টাইমস নাউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রাস্তায় চলাচলে ব্যবহারের জন্য উড়ুক্কু গাড়ির অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক উড়ুক্কু গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পাল-ভি এ গাড়ি তৈরি করেছে। ২০১২ সাল থেকে এ গাড়ির প্রকল্প নিয়ে কাজ করছিল পাল-ভি।

বিজ্ঞাপন

গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির জন্য বড় বাধা ছিল এ ধরনের গাড়ি চলাচলে রাস্তা বা আকাশপথের উপযোগী কোনো নির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকা।

পাল-ভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রবার্ট দিনগেমাংসি বলেন, উড়ুক্কু গাড়ির ক্ষেত্রে নীতিমালা তৈরির বিষয়টি বড়ই ধাঁধাপূর্ণ ছিল। এটি গাড়ি, নাকি উড়ুক্কু যানের নীতিমালা মানবে, তা ঠিক করা প্রয়োজন।

লিবার্টি মূলত দুই সিটের ত্রিচক্রযান। এটি রাস্তায় চলতে পারে আবার পাখা মেলে আকাশেও উড়তে পারে। তবে এ উড়ুক্কু গাড়ি চালাতে উড়োজাহাজ চালানোর লাইসেন্স প্রয়োজন পড়ে। এটি ঘণ্টায় ১২০ মাইল গতিতে উড়তে পারে। এক ট্যাংক ভর্তি জ্বালানি নিয়ে ৩১০ মাইল পর্যন্ত যেতে পারে। এতে থাকা প্রপেলারের কারণে এটি হেলিকপ্টারের মতোই কাজ করে। ল্যান্ডিংয়ের সময় প্রপেলার ভাঁজ হয়ে থাকে এবং এর লেজ রাস্তায় চলার উপযোগী হয়ে যায়।

রবার্ট দিনগেমাংসি বলেন, গাড়ি ও উড়ুক্কু যানের মিশেলে তৈরি হাইব্রিড এ যান গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র। এ ক্ষেত্রে পাল-ভি প্রথম হলেও আরও অনেক প্রতিষ্ঠান উঠে আসবে।

করোনা মহামারির কারণে এ ধরনের উড়ুক্কু যানের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও চাহিদা বাড়তে দেখেছেন গবেষকেরা। এতে দুজন যাওয়া যায় বলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কম থাকে

শুরুতে ৯০টি গাড়ির সীমিত সংস্করণ ছাড়ছে পাল-ভি। এর দাম হতে পারে ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৫ মার্কিন ডলার।


Source: https://www.prothomalo.com/education/science-tech/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%89%E0%A7%9C%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%81-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF
#11
রোবটিক্স কোর্স চালু করেছে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি


রোবটিক্স বিষয়ের উপর দুইটি প্রফেশনাল কোর্স চালু করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ড্যাফোডিল রোবটিক্স ল্যাব।

কোর্স দুটি হচ্ছে হিউম্যানোইড রোবট ডেভলপমেন্ট ও রোবটিক্স প্রোসেস অটোমেশন ডিজাইন অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট। কোর্স পরিচালনা করবেন ভারত, নেপাল ও শ্রীলংকার অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকসহ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।



গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) এক ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে কোর্স দুটি চালুর ঘোষণা দেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. তৌহিদ ভূইয়া, ইউআইপাথ কমিউনিটি লিড শ্রীলংকার লাহিরু ফার্নান্দো, ইউআইপাথ বাংলাদেশ, শ্রীলংকা ও ইনডিয়ার সেলস ডিরেক্টর প্রিয়ম মন্ডল এবং ইউআইপাথ একাডেমিক অ্যালায়েন্স ইন্ডিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার বাসাভাদর্শন জিএন।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. ইমরান মাহমুদের সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী প্রধান কৌশিক সরকার এবং রোবটিক্স ল্যাবের সুপারভাইজার হাফিজুল ইমরান। উল্লেখ্য, সীমিত সংখ্যক আসনে কোর্স দুটিতে ভর্তি শুরু হয়েছে। ক্লাস শুরু হবে নভেম্বর, ২০২০ থেকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন, যারা অলস, অকর্মন্য, প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের পরিবর্তন ঘটাতে আগ্রহী নয়, নিজের মানসিকার পরিরর্তন ঘটাতে চায় না, অচিরেই তাদের জায়গা দখল করে নেবে রোবট। কোভিডের এই সময় ইউরোপের অনেক দেশে রোবটের ব্যবহার মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ভাবিষ্যতে এর ব্যবহার আরও বাড়বে। সুতরাং পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে রোবটের ব্যবহার জানা ছাড়া উপায় নেই।





#12

হোয়াটসঅ্যাপে দিনে ১০ কোটি মেসেজ!


মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে এখন প্রতিদিন ১০ কোটি মেসেজ আদান-প্রদান হচ্ছে। আর এই তথ্য জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। ফেসবুকের মালিকানাধীন অ্যাপটিতে গত ইংরেজি নববর্ষে প্রথম এতসংখ্যক মেসেজ আদান-প্রদান হয়েছিল। কিন্তু করোনাসংশ্লিষ্ট লকডাউনের কারণে মাইলফলকটি এখন নিয়মিত পার করছে হোয়াটসঅ্যাপ।

এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, অক্টোবর পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০ কোটি। অন্যদিকে এই সময়ের মধ্যে ফেসবুকের মেসেঞ্জারের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৩ কোটি। গেল জানুয়ারিতেই অ্যানড্রয়েড ডিভাইসে ৫০ কোটি বার ডাউনলোড হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।


সূত্র : নিউজ১৮
#13

ভাঁজ করা ফোন আনছে এলজি


প্রযুক্তি বিশ্বে এখনকার নতুন ট্রেন্ড হচ্ছে ভাঁজ করা ফোন। আগামী বছরের মার্চ মাস নাগাদ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান এলজি নতুন একটি ভাঁজ করা স্মার্টফোন বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে। কোরিয়ার শিল্পবিষয়ক অনলাইন দ্য ইলেক–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এলজির পক্ষ থেকে গত মাসে এক অনুষ্ঠানে নতুন ভাঁজ করা ফোনটি দেখানো হয়েছে।

দ্য ইলেক–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলজির ফোনটি তৈরি করা হচ্ছে 'প্রজেক্ট বি' কোডনাম দিয়ে। ফোনটিতে এমন ফিচার থাকবে যাতে ফোন পাশ থেকে ও পেছন থেকে ভাঁজ করে ফেলা যাবে।

এলজি এক্সপ্লোরার প্রকল্পের অধীনে এটি হবে দ্বিতীয় ভাঁজ করা ফোন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিক অর্থাৎ, জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে পরবর্তী ফ্ল্যাগশিপ ফোন বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। নতুন এ স্মার্টফোনটিতে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৭৫ চিপসেট ব্যবহার করা হতে পারে।

গত বছরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অফিসে ভাঁজ করা ফোনের ১০টি পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছিল এলজি। এরপর থেকেই এলজির ভাঁজ করা স্মার্টফোন ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছে। ট্রেডমার্ক অ্যাপ্লিকেশনে স্মার্টফোনের কোডনাম নিয়ে অবশ্য বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। যে নামগুলো তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল সেগুলো হচ্ছে রোল, ডাবল রোল, ই–রোল, সিগনেচার আর, আর স্ক্রিন, আর ক্যানভাস, ডুয়াল রোল, রোল ক্যানভাস, বাই–রোল ও রোটলো।

ভাঁজ করা ডিভাইস বা প্রযুক্তি পণ্যের বাজারে এলজি একেবারে নতুন নয়। এর আগে ভাঁজ করা টিভি এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগেই ভাঁজ করা ফোন সম্পর্কে নানা তথ্যও দিয়েছে।

এর আগে স্বচ্ছ ভাঁজ করা ডিভাইসের পেটেন্ট পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ–এর তথ্য অনুযায়ী, এলজির কাছে স্বচ্ছ ফোল্ডেবল ডিসপ্লের পেটেন্ট রয়েছে। ২০১৫ সালে আবেদন করলেও গত বছর তার অনুমোদন পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেডমার্ক অ্যান্ড পেটেন্ট অফিস থেকে অনুমোদন পাওয়া।


Source: https://www.prothomalo.com/education/science-tech/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF
#14

ভাঁজ করা ফাইভ–জি ফোন আনছে স্যামসাং


দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করা ফোনের নতুন আরেকটি মডেল বাজারে আনছে। নতুন মডেলটির নাম ডাব্লিউ ২১। এটি ফাইভ–জি নেটওয়ার্ক সমর্থন করবে। ৪ নভেম্বর চীনের বাজারে স্মার্টফোনটি উন্মোচন করবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট মাইফিক্সগাইডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের বাজারে যে ভাঁজ করা ফোনটি আনা হচ্ছে তা মূলত 'রিব্যান্ডিং' বা পুনরায় ব্র্যান্ডিং করা ফোন। স্যামসাংয়ের ভাঁজ করা সুবিধাযুক্ত ফোন গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ২ মডেলটিকে চীনের বাজারের জন্য ভিন্ন নামে ছাড়া হচ্ছে।


চীনের সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ওয়েবুতে একজন ডিজিটাল ব্লগার নতুন স্মার্টফোনের পোস্টার শেয়ার করেছেন। তাতে দেখা গেছে, স্যামসাংয়ের আলোচিত গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড ২ মডেলটিকেই রিব্যান্ডিং করা হচ্ছে। অবশ্য চীনের বাজারে ভাঁজ করা ফোন জনপ্রিয় করতে নকশায় ও রঙে কিছু পরিবর্তন আনছে প্রতিষ্ঠানটি। ফোনটির পেছনে খাড়া লাইনের নকশা করা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলেন, চীনে সোনালি রঙের স্মার্টফোন ব্যাপক জনপ্রিয়। সে ভাবনা মাথায় রেখে স্যামসাং চীনের বাজারে শুধু সোনালি রঙের ভাঁজ করা ফাইভ–জি ফোন আনছে।

নতুন ফোনটিতে থাকছে দুটি অ্যামোলেড ডিসপ্লে। একটি ডিসপ্লে হকে ৭ দশমিক ৫৯ ইঞ্চি ও আরেকটি ডিসপ্লে ৬ দশমিক ২৩ ইঞ্চি মাপের। ফোনটির ওজন হবে ২৮৮ গ্রাম। এতে ব্যবহৃত হচ্ছে ৭ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৬৫ প্লাস প্রসেসর, ১২ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ। ফোনের পেছনে থাকছে তিন ক্যামেরা সেট আপ। ক্যামেরাগুলো ১২ ও ১০ মেগাপিক্সেলের।

ফোনটির সামনেও থাকবে ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। এর ব্যাটারি ৪৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। ফোনটির পাশে থাকবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। ফোনটির দাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।


Source: https://www.prothomalo.com/education/science-tech/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%9C%E0%A6%BF-%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82
#15

সাশ্রয়ী বেসিক সংযোগ আনল আকাশ ডিটিএইচ


টেলিভিশন দর্শকদের জন্য সাশ্রয়ী 'আকাশ বেসিক' সংযোগ নিয়ে এসেছে বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স। বিশেষভাবে তৈরি সেটটপ বক্সসহ এ নতুন সংযোগের দাম পড়বে ৩ হাজার ৯৯৯ টাকা। দেশের শহর ও গ্রামের সব শ্রেণির গ্রাহক যেন অপেলক্ষাকৃত কম খরচে আকাশ ডিটিএইচ সেবা পেতে পারে সে লক্ষ্যে এ নতুন সংযোগ আনা হয়েছে। আকাশের অন্যান্য সংযোগগুলোর মতো এ সংযোগেও সর্বোচ্চ মানের ছবি-শব্দসহ বিভিন্ন ফিচার নিশ্চিত করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার এক অনলাইন অনুষ্ঠানে বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স এর সিইও ডিএস ফায়সাল হায়দার এ নতুন সংযোগের ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, সব শ্রেণির মানুষের টিভি দেখার চাহিদা পূরণ করতে চায় আকাশ ডিটিএইচ। যতটুকু সম্ভব কম খরচে সর্বোচ্চ মানের ছবি ও শব্দসহ সর্বোচ্চ সংখ্যক চ্যানেল প্রদর্শন করাই দেশের একমাত্র বৈধ ডিটিএইচ সেবা প্রদানকারী ব্র্যান্ডটির লক্ষ্য। আকাশ বেসিক সংযোগের মাধ্যমে মানসম্পন্ন টিভি দেখার অভিজ্ঞতা পাবেন দর্শকরা যা দেশের বেশিরভাগ ক্যাবল অপারেটরদের নিম্নমানের সেবার মাধ্যমে সম্ভব নয়। আকাশ ডিটিএইচের রেগুলার সংযোগের মূল্য ৪ হাজার ৪৯৯ টাকা। আকাশ রেগুলার সংযোগের সবগুলো সুবিধা বেসিকেও থাকছে। এতে শুধুমাত্র ভিডিও রেকর্ডিং সুবিধা থাকছে না।

আকাশ বেসিক সংযোগে মাসিক ৩৯৯ টাকার প্যাকেজ সাবস্ক্রিপশনে ৪০টি এইচডি চ্যানেলসহ ১২০টির বেশি চ্যানেল এবং ২৪৯ টাকার প্যাকেজে ২০টি এইচডিসহ ৭০টির বেশি চ্যানেল দেখা যাবে। দেশের ৬৪টি জেলায় ৮ হাজারের বেশি অনুমোদিত খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে আকাশ ডিটিএইচ সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বিদ্যমান গ্রাহকরা সম্ভাব্য নতুন গ্রাহকদের রেফার করলে ৫০ শতাংশ মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি ক্যাশব্যাক পাবেন।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ থেকে ফিড নিয়ে গত বছরের মে মাসে সেবা প্রদান শুরু করে আকাশ ডিটিএইচ। নিরবিচ্ছিন্ন এবং মানসম্পন্ন টিভি দেখার অভিজ্ঞতার জন্য আকাশ অনন্য এবং এটি ইতিমধ্যে গ্রাহকদের বিপুল আস্থা অর্জন করেছে।

বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স'র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডিএস ফায়সাল হায়দার বলেন, দেশে তথ্য ও বিনোদনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম টেলিভিশন। গ্রাহকদেরকে টিভি দেখার প্রকৃত ডিজিটাল স্বাদ ও অভিজ্ঞতা দিতে আমরা প্রতিশ্রম্নতিবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে বেসিক আকাশ সংযোগ আনা হয়েছে। শহর কিংবা গ্রাম-সব অঞ্চলেই এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।


Source: https://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2020/10/23/968659
#16

১২০০ জন যুক্ত হতে পারবেন এই ভিডিও কনফারেন্স প্ল্যাটফর্মে


করোনায় অনলাইনে মিটিং ও অন্যান্য কাজের জন্য বেড়েছে ভিডিও প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার। এই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে দেশীয় তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিনেসিস আইটি বিশ্বমানের একটি ভিডিও কনফারেন্স প্ল্যাটফর্ম আনছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা তাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে রয়েছে। একসঙ্গে এক হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষকে যুক্ত করার সুবিধ ছাড়াও এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নানা সুবিধা থাকবে। বর্তমানে যেসব ওপেনসোর্স প্ল্যাটফর্ম আছে সেগুলো ২০ জনের বেশি লোড নিতে পারে না। এ ছাড়া এগুলোতে চার-পাঁচজনের কনফারেন্স ভালো হয়, কিন্তু ১০-১৫ জনের বেশি হলে আর পারে না।

ওপেনসোর্স প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি বর্তমানে জুম, গোটুমিটিং, ব্লুজিন্সের মতো প্ল্যাটফর্ম থাকার পরও ভিডিও কনফারেন্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করার কারণ তুলে ধরে সিনেসিস আইটির গ্রুপ সিইও রূপায়ণ চৌধুরী বলেন, 'আমাদের প্ল্যাটফর্মে মৌলিক এমন কিছু থাকবে, যা ব্যবহারকারীদের অন্য রকম একটা অভিজ্ঞতা দেবে। আমরা কয়েকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রেখে কাজ শুরু করি। সেগুলো হচ্ছে একটা ভিডিও মিটিংয়ে এক হাজার ২০০-র মতো অংশগ্রহণকারী থাকবে, অডিও বা সাউন্ড কোয়ালিটি হবে অসম্ভব উচ্চমানের।' তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা এতে সিনেসিস আইটির নিজস্ব সিকিউরিটি সিস্টেম ব্যবহার করছি।

সিনেসিস আইটির মার্কেটিং এবং প্রডাক্ট ইনোভেশন বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান. এই প্ল্যাটফর্মটিতে ই-হেলথ, ই-লার্নিং এবং ই-গভর্নেন্সের জন্য বিশেষ ধরনের ফিচার ছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা থাকায় ব্যবহারকারীরা পাবেন নানা সুবিধা। সিনেসিস আইটির গবেষণা এবং প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান বিজন কুমার ধর বলেন, 'সম্প্রতি একটি টেস্টে আমরা দেখেছি, প্ল্যাটফর্মটিতে ১০০ জনে ৬৪ কোরের সার্ভারের মাত্র ৫ শতাংশ ব্যবহার হয়েছে। ব্যান্ডউইথের ব্যবহারও খুব সন্তোষজনক। এক হাজার ২০০ জনের একটি মিটিং অনায়াসে করা যায়, যেখানে জুম সর্বোচ্চ সুবিধা দিচ্ছে এক হাজার জনের।       

সূত্র : সিএনএন
#17

ডেস্কটপ কেনার গাইডলাইন


ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার সময় কনফিগারেশন ও বাজেট নিয়ে চিন্তায় থাকেন অনেকেই। কোনটা রেখে কোনটা কিনবেন? কী রাখবেন আর কি-ই বা ছেঁটে ফেলবেন ডেস্কটপ থেকে? এমন সব প্রশ্ন একপাশে রেখে নজর দিতে পারেন আমাদের এই গাইডলাইনে। আর এই গাইডলাইনটি তৈরিতে তুসিন আহমেদকে সহায়তা করেছেন পিসি বিল্ডারের টেক ইউটিউবার মাহবুব আলম রাকিব ও ফাহিম হোসেইন অতুল

একটা পিসি বা ডেস্ক কম্পিউটার বানানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রথমেই যে ব্যাপারটা মাথায় আসে তা হলো বাজেট। আর বাজেট ঠিক করার পর কমবেশি সবাই প্রথমে যে বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েন—কিভাবে কম্পিউটার তৈরি বা বিল্ড করা যাবে, কী কী যন্ত্রাংশ নির্বাচন করবেন, দোকানদার ঠকাচ্ছেন না তো ইত্যাদি। যন্ত্রাংশের দামের ধারণাটা আমরা অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পারি; কিন্তু কম্পিউটার বানানোর জন্য আপনার বাজেটের হিসাবে কোন কোন যন্ত্রাংশ ভালো হবে সেসব বাতলে দিতেই এই গাইডলাইন।

কম বাজেটের (৩০ হাজার টাকা বা এর কম)

পিসি বিল্ডের প্রথমেই গুরুত্বপূর্ণ এবং বেশি খরচ করার মতো কম্পোনেন্ট বা যন্ত্রাংশ হলো প্রসেসর। এই বাজেটের পিসিগুলোতে যত ভালো মানের প্রসেসর ব্যবহার করা সম্ভব, আপনার পিসির গতি ততই ভালো হবে। প্রসেসরের ক্ষেত্রে ইনটেল এবং এএমডি দুটি ব্র্যান্ড আছে। বাজেট রেঞ্জে এএমডির ক্ষেত্রে 'এএমডি রাইজেন ৩ ৩২০০জি' এবং 'এএমডি রাইজেন ৫ ৩৪০০জি'—দুটি প্রসেসর বাজারের অন্যতম সেরা বিক্রীত প্রসেসর। অন্যদিকে ইনটেলের ক্ষেত্রে 'ইনটেল কোর আই৩ ৯১০০' অথবা 'ইনটেল কোর আই৩ ১০৪০০' দুটি ভালো পছন্দ। এই প্রসেসরগুলোর দাম ১০ হাজার থেকে শুরু হয়ে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে।

মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে দুটি প্রসেসর ব্র্যান্ডের (ইনটেল ও এএমডি) জন্য দুটি আলাদা ধরনের সমর্থিত মাদারবোর্ড কিনতে হবে। সাধারণত মাদারবোর্ডের চিপসেটের হিসেবেই মাদারবোর্ড কেনা উচিত। যদিও এ ক্ষেত্রে অন্যান্য ব্যাপার যেমন—মাদারবোর্ডের অন্য ফিচারগুলোও নির্ভর করে। এএমডি প্রসেসরের ক্ষেত্রে মাদারবোর্ড পছন্দ করতে হলে 'এ৩২০' চিপসেটের মাদারবোর্ড দেখে নিতে পারেন। যেকোনো মাদারবোর্ড মডেলেই লেখা থাকবে কোন চিপসেটের মাদারবোর্ড। যেমন—'এমএসআই এ৩২০এম-এ প্রো', 'আসুস প্রাইম এ৩২০এম-ই ইভ এএসরক এ৩২০এম-এইচডিভি'সহ আরো বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড বাজারে পেতে পারেন। এই মাদারবোর্ডগুলোর দাম হতে পারে পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা বা এর কাছাকাছি।

অন্যদিকে ইনটেল মাদারবোর্ডের দিক থেকে 'আই৩ ৯১০০'-এর জন্য 'এইচ৩১০' এবং 'আই৩ ১০৪০০'-এর জন্য 'এইচ৪১০' চিপসেটের মাদারবোর্ড নিতে হবে। ব্র্যান্ড ও দামটা আপনার বাজেট এবং প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করবে। ইনটেলের মাদারবোর্ডগুলোর দাম ছয় হাজার ৯০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।

প্রসেসরকে সমর্থন দেওয়ার জন্য দরকার র‌্যাম। এই বাজেটের ডেস্কটপের প্রসেসরের জন্য একটি অথবা দুটি ৪ গিগাবাইট ২৪০০ বাস স্পিডের র‌্যামই যথেষ্ট হবে। র‌্যামের দাম শুরু দুই হাজার টাকা থেকে।

স্টোরেজ ডিভাইস পছন্দের ক্ষেত্রে দুটি পছন্দ আছে। একটি হলো এসএসডি, অন্যটি হার্ডড্রাইভ। যদি দ্রুত কম্পিউটার চালু-বন্ধ এবং দ্রুত সফটওয়্যার লোড টাইম চান, তাহলে এসএসডি ভালো অপশন; কিন্তু সে ক্ষেত্রে স্টোরেজের আকার হবে অনেক কম। আবার হার্ডড্রাইভ নিলে ডাটা স্টোরের জন্য অনেক জায়গা পাবেন; কিন্তু লোডিংয়ের গতি হবে অনেক কম। আর বাজেট যদি থাকে তাহলে দুটিই নিতে পারেন।

বাজারে বর্তমানে দুই হাজার টাকা থেকে এসএসডির দাম শুরু হয়ে থাকে। এম.২, সাটা বিভিন্ন ধরনের এসএসডি পাওয়া যায়। অন্যদিকে ১ টেরাবাইট একটি হার্ডড্রাইভের দাম শুরু হয়ে থাকে তিন হাজার ৫০০ টাকা থেকে।

পুরো পিসিকে চালানোর শক্তি দেওয়ার জন্য দরকার পাওয়ার সাপ্লাইয়ের। সাধারণত কেসিংয়ের সঙ্গে আসা পাওয়ার সাপ্লাই দিয়েও আপনার কাজ চলে যেতে পারে; কিন্তু ব্যাপারটা আপনার কম্পিউটারের জন্য সুবিধাজনক হবে না। তাই অবশ্যই একটা ব্র্যান্ডেড পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করার পরামর্শ রইল। সাধারণত ব্র্যান্ডেড পাওয়ার সাপ্লাইয়ের দাম দুই হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।

কম্পিউটারের ভেতরের যন্ত্রাংশগুলোকে বসানোর জন্য দরকার একটি কেসিং। বাজারে বাজেটের মধ্যে অনেক কেসিংই আছে। আবার অনেক ব্র্যান্ডেড কেসিংও আছে। কেসিং কেনার সময় খেয়াল রাখতে হবে কেসিংয়ে যেন যথেষ্ট বাতাস চলাচলের সুবিধা থাকে। এ ছাড়া কেসিংয়ে অতিরিক্ত ফ্যান থাকলে তা আপনার কম্পিউটারের ভেতরের যন্ত্রাংশগুলো ভালোভাবে ঠাণ্ডা করার কাজে আসবে। বাজারে সর্বনিম্ন কেসিংয়ের দাম এক হাজার ২০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে। বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী কেসিং নিতে পারেন।

মাঝারি বাজেটের (৫০-৭০ হাজার টাকা)

এই বাজেটের পিসি দিয়ে সাধারণত গেমিং থেকে শুরু করে মোটামুটি পেশাদার কাজও করা সম্ভব। এই পিসির প্রসেসরে ব্যবহার করতে পারেন 'এএমডি রাইজেন ৪ ৩৫০০এক্স', 'রাইজেন ৫ ৩৬০০'-এর মতো প্রসেসরগুলো। এসবের দাম হতে পারে ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার ৫০০ টাকা। আর যদি ইনটেল প্রসেসর নিতে হয়, তাহলে 'ইনটেল কোর আই৫ ১০৪০০' ভালো অপশন। এটার দাম হতে পারে ১৪ হাজার ৫০০ থেকে ১৬ হাজার টাকা ।

রাইজেন নির্ভর প্রসেসরের জন্য ব্যবহার করতে পারেন 'বি৪৫০' চিপসেটের মাদারবোর্ড। র‌্যামের স্লট ও ফিচারের ভিত্তিতে এই চিপসেটের মাদারবোর্ডের দামের পার্থক্য হতে পারে। বাজারে অন্যতম সেরা ই৪৫০ চিপসেটের মাদারবোর্ড হলো 'এমএসআই বি৪৫০ টোমাহক', 'এসরক বি৪৫০ স্টিল লিজেন্ড' মাদারবোর্ড। এসবের দাম হতে পারে ১০ হাজার ৫০০ থেকে ১১ হাজার ৫০০ টাকা।

অন্যদিকে ইনটেলের দশম প্রজন্মের প্রসেসরের জন্য 'এইচ৪১০' চিপসেটের মাদারবোর্ড দরকার পড়তে পারে। বাজারে এই চিপসেটের মাদারবোর্ডের দাম শুরু হয় সাত হাজার ৫০০ টাকা থেকে।

র‌্যাম হিসেবে নিতে পারেন বাজেটভেদে ৮ গিগাবাইট থেকে ১৬ গিগাবাইট ২৬৬৬ মেগাহার্জ বাসের র‌্যাম। রাইজেন প্রসেসরের ক্ষেত্রে এর থেকে বেশি (যেমন ৩০০০ মেগাহার্জ কিংবা ৩২০০ মেগাহার্জ বাস) বাস স্পিডের র‌্যাম নেওয়ার পরামর্শ রইল। কারণ র‌্যামের বাস স্পিডকে ইনটেলের তুলনায় রাইজেন ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারে এবং এতে প্রসেসরের পারফরম্যান্সও বৃদ্ধি পায়। মডেল অনুযায়ী তিন হাজার শুরু করে তিন হাজার ৭০০ টাকা হবে। এই বাজেটে এনভিডিয়ার 'জিটিএক্স১৬৫০' থেকে 'জিটিএক্স১৬৬০ সুপার' গ্রাফিকস কার্ড পেতে পারেন। এসবের দাম হতে পারে ১৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। অন্যদিকে এএমডির ক্ষেত্রে 'আরএক্স৫৫০' থেকে '৫৬০০এক্সটি' গ্রাফিকস কার্ডগুলো নিতে পারেন। এসবের দাম হতে পারে ১১ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা। তবে এই বাজেটে সব দিক থেকে বিবেচনা করলে 'এনভিডিয়ার জিটিএক্স১৬৬০ সুপার' একটি অন্যতম ভালো পছন্দ। এটির দাম হতে পারে ২৪ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২৬ হাজার ৫০০ টাকা।

স্টোরেজ ডিভাইস নির্ভর করে আপনার বাজেটের ওপর। এই বিল্ডের ক্ষেত্রে অবশ্যই একটা এসএসডি কেনার পরামর্শ রইল। যেকোনো ব্র্যান্ডের ২৪০ গিগাবাইট এম-ডট-টু এসএসডি পাওয়া যাবে। এটির দাম হতে পারে তিন হাজার ৫০০ টাকা থেকে চার হাজার ৫০০ টাকা।

এ ছাড়া হার্ডড্রাইভ যোগ করতে পারেন। এটা নির্ভর করে আপনার বাজেটের ওপর। হার্ডড্রাইভের ক্ষেত্রে 'জিগেট ব্যারাকুডা ১ টেরাবাইট' বাজারে বহুল প্রচলিত একটি হার্ডড্রাইভ। এটির দাম হতে পারে তিন হাজার ৭০০ থেকে চার হাজার ২০০ টাকা।

সব কম্পোনেন্টে পাওয়ার দেওয়ার জন্য এ ধরনের বিল্ডে একটি ব্র্যান্ডেড ৫০০ থেকে ৫৫০ ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই যথেষ্ট হবে। এই বিল্ডের বাজেট অনুযায়ী সব ব্র্যান্ডের ৫০০ থেকে ৫৫০ ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই পাওয়া সম্ভব। এই পাওয়ার সাপ্লাইগুলোর দাম চার হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে।

সব যন্ত্রাংশ একসঙ্গে বসানোর জন্য কেসিং দরকার হয়। কেসিং বা চেসিসের ব্যাপারটা সম্পূর্ণ নিজের। অনেকেই লাইটিং দেখে কেসিং নিয়ে থাকেন, আবার অনেকেই বিল্ড কোয়ালিটি বা টেম্পার্ড গ্লাস দেখে কেস কিনে থাকেন। তবে কেসিং কেনার ক্ষেত্রে একটা পরামর্শ রইল—কেসিংয়ে যেন যথেষ্ট বাতাস চলাচলের সুযোগ-সুবিধা থাকে এবং এর পাশাপাশি কেসের সামনের দিকটা যেন যথেষ্টভাবে উন্মুক্ত থাকে, যাতে বাতাস টেনে নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে কেসিংয়ের ফ্যানও গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষে বাজেটের কিছু টাকা যদি অবশিষ্ট থাকে, তাহলে প্রসেসরের জন্য আলাদা সিপিইউ কুলার নিতে পারেন; যদিও প্রসেসরের সঙ্গে যে কুলারটি দেবে তা কাজ চালানোর জন্য যথেষ্ট। তবে ভালো মানের একটি সিপিইউ কুলার আপনার প্রসেসরকে বেশি ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া বাজেটের অবশিষ্ট টাকাটা (যদি বাকি থাকে) কেসিং ফ্যানেও ব্যবহার করতে পারেন।

বেশি বাজেটের (এক লাখ বা তারও বেশি)

এই বাজেটের কম্পিউটারের বেশির ভাগ বানানো হয় প্রতিযোগিতামূলক/স্বাভাবিক গেমিং, ফটো ও ভিডিও এডিটিং, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিকস ডিজাইন ও রেন্ডারিং, রেকর্ডিং স্টুডিও ইত্যাদি কাজের উদ্দেশে।

এক লাখ টাকা বা এর চেয়ে বেশি বাজেটের ক্ষেত্রে প্রসেসর হিসেবে আপনার অবশ্যই নির্ধারণ করা উচিত এএমডির রাইজেন ৭ সিরিজ অথবা ইনটেলের আই সেভেন সিরিজের প্রসেসর। এসবের দাম হতে পারে ২৪ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা। এই রেঞ্জের প্রসেসরগুলো সাধারণত অক্টা কোর বা তার বেশি কোরের হয়ে থাকে এবং এর পাশাপাশি প্রসেসরগুলোর ফ্রিকোয়েন্সি যথেষ্ট বেশি হয়ে থাকে। তাই এসব প্রসেসর আপনাকে গেমিং বা যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে সক্ষম।

এই বাজেটের বিল্ডে আপনার অবশ্যই একটি আলাদা প্রসেসর কুলার প্রয়োজন পড়বে। কারণ ইনটেলের আই সেভেন প্রসেসরগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের কুলার দেওয়া থাকে না এবং রাইজেনের প্রসেসরের জন্য যে কুলারটি দিয়ে থাকে, তা যথেষ্ট নয়। তাই আলাদা করে সিপিইউ নেওয়াটা বাঞ্ছনীয়। এ ক্ষেত্রে ভালো মানের এয়ারকুলার নিতে পারেন। মডেল অনুযায়ী এসবের দাম হতে পারে দুই হাজার ১০০ টাকা থেকে ৯ হাজার টাকারও ওপরে।

এবার আসা যাক মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে; যদি এএমডি প্রসেসর হয় তাহলে 'এক্স৫৭০' চিপসেটের মাদারবোর্ড নেওয়ার পরামর্শ রইল। কারণ এই চিপসেটের মাদারবোর্ডে চতুর্থ প্রজন্মের 'পিসিআইই' স্লটের ফিচারটি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরো অতিরিক্ত অনেক ফিচারস এই চিপসেটের মাদারবোর্ডে থাকছে। অন্যদিকে ইনটেল প্রসেসরের ক্ষেত্রে 'জেড৪৯০' চিপসেটের মাদারবোর্ডগুলো যথাযথভাবে আই সেভেন প্রসেসরকে সমর্থন দিয়ে থাকে। এসবের দাম হতে পারে ২৬ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা।

র‌্যাম হিসেবে সর্বনিম্ন ৮+৮=১৬ গিগাবাইট র‌্যাম যথেষ্ট হবে গেমিংয়ের জন্য। তবে যদি সম্পাদনা কিংবা রেন্ডারিংয়ের কাজ করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেশি র‌্যামের দরকার হতে পারে। এই বাজেটের মাদারবোর্ডগুলোতে চারটি র‌্যাম স্লট থাকে; তাই ভবিষ্যতে র‌্যাম বাড়ানোর সুবিধাও থাকছে। এ ক্ষেত্রে র‌্যামের বাস স্পিড হতে হবে ৩২০০ বাস। র‌্যামের দাম হতে পারে ৯ হাজার থেকে ১১ হাজার টাকা।

এবার আসা যাক গ্রাফিকস কার্ড প্রসঙ্গে। গ্রাফিকস কার্ড কোনটা নেবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার কাজের ওপর। যদি আপনার কাজ গেম খেলা হয়ে থাকে, তাহলে আরটিএক্স ২০০০ বা ৩০০০ সিরিজের গ্রাফিকস কার্ড আপনার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে ভিডিও বা ছবি সম্পাদনা কিংবা রেন্ডারিং কাজের জন্য সর্বোচ্চ আরটিএক্স ২০৬০ই যথেষ্ট হতে পারে। এসব কাজের ক্ষেত্রে ভালো মানের প্রসেসর থাকাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে বাজেটের ভিত্তিতে গ্রাফিকস কার্ড পছন্দ করার দায়িত্ব আপনার। দাম হতে পারে ৩৩ হাজার থেকে ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা।

স্টোরেজে আপনার চাহিদা অনুযায়ী হার্ডড্রাইভ ও এসএসডি কিনে নিতে পারেন। তবে এই বাজেটের পিসিতে বেশির ভাগ ক্রেতার পছন্দে থাকা উচিত স্যামস্যাংয়ের এসএসডিগুলো। কারণ স্যামস্যাংয়ের এসএসডিগুলো রিড ও রাইট স্পিডে অন্যান্য এসএসডি থেকে অনেক গুণ এগিয়ে। ১ টেরার দাম হতে পারে ১১ হাজার ৫০০ থেকে ১২ হাজার টাকা।

পাওয়ার সাপ্লাই মূলত নির্ভর করে প্রসেসর ও গ্রাফিকস কার্ডের পাওয়ারের ওপরে। এ ক্ষেত্রে গোল্ড সার্টিফিকেশনের ব্র্যান্ডেড ৬৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৭৫০ ওয়াটের পাওয়ার সাপ্লাই আপনার দরকার হতে পারে।

বাজেট, পছন্দ ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে কম্পিউটারে অনেকেই অনেক রকমের চেসিস ব্যবহার করে, বিশেষ করে গেমারদের পছন্দের তালিকায় থাকে টেম্পার্ড গ্লাস ও আরজিবি ফিচারবহুল চেসিস। যদিও অনেকেই চেসিস কেনার ক্ষেত্রে ভালো এয়ারফ্লোকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তবে পেশাদারদের ক্ষেত্রে বেশি ফিচারবহুল চেসিস তাঁদের পছন্দের তালিকায় থাকে। যেমন ইউএসবি থান্ডারবোল্ট পোর্ট, একাধিক ইউএসবি ৩ আউটপুট পোর্ট, অতিরিক্ত এসএসডি ও হার্ডড্রাইভ সংযোজন করার সুবিধা এবং ভালো মানের এয়ারফ্লোকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের পরামর্শ থাকবে ব্র্যান্ডেড মিড টাওয়ার থেকে ফুল টাওয়ারের চেসিস। এটার দাম নির্ভর করছে আপনার পছন্দ, প্রয়োজন ও বাজেটের ওপর।

বাজেট ফ্রি পিসি

'বাজেট ফ্রি পিসি' বলতে বোঝানো হয়েছে এই ধরনের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে বাজেটের কোনো ধরাবাঁধা থাকে না। এই ধরনের কম্পিউটার ক্রেতা বা ব্যবহারকারী বাজারের সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তম যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটার বিল্ড করে থাকেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের বিল্ড হয়ে থাকে শৌখিন কম্পিউটার বিল্ড। এসব বিল্ড যেমন দেখতে সুন্দর হয়ে থাকে, এর পাশাপাশি সব ধরনের কাজে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে থাকে। অনেকে নিজের পছন্দমতো কাস্টম বিল্ডও করে থাকেন। কাস্টম বিল্ড হচ্ছে কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ এমনভাবে পছন্দ করা, যাতে পুরো কম্পিউটারে নান্দনিকতার ছাপ ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়। এ ক্ষেত্রে অনেকেই কম্পিউটার কেস পছন্দ অনুযায়ী রং করে অথবা মডিফিকেশন করে থাকেন। এ ছাড়া কাস্টম ওয়াটারকুলিং হয়ে থাকে এই বিল্ডগুলোতে।

এ ধরনের বিল্ড যেহেতু বাজেটের আওতায় পড়ে না, তাই এতে সর্বোচ্চ মানের প্রসেসর, মাদারবোর্ড, গ্রাফিকস কার্ডসহ অন্য সব যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক গ্রাফিকস কার্ডের এসএলআই করতেও দেখা যায়।

ওপরের বিষয়গুলো বাদেও কম্পিউটার বিল্ডে আরো অনেক বিষয় আছে, যা হয়তো এই লেখায় সংক্ষেপে বোঝানো সম্ভব নয়। তবু চেষ্টা করা হয়েছে একটা সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়ার।

আছে মনিটরও!

এতক্ষণ শুধু কম্পিউটার বিল্ডের কথা বলা হলো। কিন্তু খেয়াল করলে দেখবেন মনিটর ছাড়াই বিল্ড গাইডের সাজেশন দিয়েছি। মনিটরের ব্যাপারটা আলাদা করে বলার কারণ একটা বিল্ডে মনিটর কেনার পছন্দটা একেকজনের কাছে একেক রকম। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাঁরা ২৪ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বড় আকারের মনিটর পছন্দ করে থাকেন, অথচ তাঁর পিসি হচ্ছে বাজেট রেঞ্জের। মনিটর কেনার ক্ষেত্রে প্রথমেই যে ব্যাপারটা লক্ষ করতে হবে, তা হলো মনিটরটি কোন প্যানেলের। সাধারণত মনিটর প্যানেল তিন ধরনের হয়ে থাকে—আইপিএস, ভিএ এবং টিএন প্যানেল। রঙের দিক থেকে এই তিনটি প্যানেলকে যদি পালাক্রমে রাখা হয় তাহলে আইপিএস, তারপর ভিএ এবং সর্বশেষ টিএন প্যানেল। অন্যদিকে যদি লো ইনপুট ল্যাগ, ফাস্টার রেসপন্স টাইম এবং কম মোশন ব্লার—এসবের দিক থেকে প্রথমেই থাকবে টিএন প্যানেল, এরপর ভিএ এবং সর্বশেষ আইপিএস। তবে টিএন প্যানেলের একটা অন্যতম দুর্বলতা হলো ভিউয়িং অ্যাঙ্গল পরিবর্তন হলেই রং পরিবর্তন হবে। ভিএ প্যানেল মাঝামাঝি পর্যায়ে থাকছে এবং বেশির ভাগ ভিএ প্যানেল কার্ভড মনিটর হিসেবে বাজারে আসে।

মনিটর প্যানেলের ক্ষেত্রে টিএন প্যানেলগুলো হাই রিফ্রেশ রেট এবং গেমিং মনিটর হিসেবে এত দিন চলে এলেও বর্তমানে আইপিএস প্যানেলগুলো হাই রিফ্রেশ রেটের গেমিং মনিটর হিসেবে বাজারে আসছে।

প্যানেল পরিচিতি শেষ হলো, এবার নজর দেওয়া যাক আকার এবং রেজল্যুশনের প্রতি। সাধারণত বেশির ভাগ সাধারণের হাতের নাগালে বা বাজেটের নাগালের মনিটরগুলো ২২ থেকে ২৭ ইঞ্চি এবং ১০৮০ থেকে ১৪৪০ পি রেজল্যুশনের হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে ২২ ইঞ্চি এবং ১০৮০ পি রেজল্যুশনকে সর্বনিম্ন ধরা হয়েছে, যদিও বাজারে এর থেকেও কম আকারের এবং কম রেজল্যুশনের মনিটরও পাওয়া যায়। এটা নির্ভর করে ব্যবহারকারীদের চাহিদার ওপর।

আরো একটি ব্যাপার হলো—আপনার মনিটরটি ঠিক কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চাইছেন? যদি প্রতিযোগিতামূলক গেমিং করার উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে অবশ্যই একটি হাই রিফ্রেশ রেটের মনিটরের প্রয়োজন হতে পারে। যদি ফটো ভিডিও সম্পাদনা বা ফ্রিল্যান্স কাজের প্রয়োজনে হয়ে থাকে, তাহলে আইপিএস প্যানেল নেওয়া ভালো। এ ছাড়া নাটক, সিনেমা দেখার জন্য আইপিএস প্যানেলই যথেষ্ট।

এতক্ষণে হয়তো একটা প্রাথমিক ধারণা পেয়ে গেছেন এবং আপনার চাহিদা হিসেবে কী ধরনের মনিটর নেবেন তা মনস্থিরও করে ফেলেছেন। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো বাজেট। আর তাই বাজেটের ভিত্তিতে মনিটরকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।

বাজেট অল পারপাস মনিটর

এই ধরনের মনিটরগুলো অল পারপাস বলার কারণ, এই মনিটর টুকটাক গেমিং, মুভি দেখা, ফটো বা ভিডিও এডিট বা ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য যথেষ্ট।

দেশের বাজারে মনিটর ক্রেতাদের বাজেট থেকে থাকে ১০-১৪ হাজার টাকার মধ্যে। এই রেঞ্জের মনিটরগুলো সাধারণত ২২ ইঞ্চির ১০৮০ পি রেজল্যুশনের হয়। এই রেঞ্জের মনিটরের বেশির ভাগই আইপিএস প্যানেলের হয়ে থাকে। বেশির ভাগ মনিটর ৭৫ হার্জ রিফ্রেশ রেটের হয়ে থাকে। এ ছাড়া অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে এতে এএমডি ফ্রিসিংক ফিচারটিও দেখা যায়। স্যামসাং, আসুস, এলজি, ভিউসনিক, ফিলিপস, বেনকিউ, ডেল ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মনিটর পাওয়া যায় দেশের বাজারে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মনিটর মডেলের মধ্যে হচ্ছে—এলজি২২এমকে৬০০, আসুস ভিজেড২২৯এইচ, স্যামসাং এলএস২২আর৩৫০, ভিউসনিক ভিএক্স২২৭৬-এসএইচডি ইত্যাদি।

বাজেট একটু বেশি মানে ১৫ হাজারের বেশি হলে ২৪ ইঞ্চির মনিটরও পাওয়া যাবে। ওপরে যেসব ব্র্যান্ড এবং মডেলের মনিটর বলা হয়েছে, সেসব মনিটরেরই ২৪ ইঞ্চির মডেল আছে। প্যানেল এবং স্পেসিফিকেশনের হিসেবে এই ২৪ ইঞ্চির মনিটরগুলো ২২ ইঞ্চির মতোই, কিন্তু এ ক্ষেত্রে শুধু মনিটরের আকারটা একটু বড় হবে।

অল পারপাস মনিটরের মধ্যে আরো একটা সেগমেন্ট হলো ২৭ ইঞ্চির মনিটর। সাধারণত ২৭ ইঞ্চির মনিটরগুলো বাজেটের বাইরে হতে পারে অনেকের ক্ষেত্রেই। ২৭ ইঞ্চি মনিটরের দাম সাধারণত ২৪ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়ে থাকে। এন্ট্রি লেভেল এই ২৭ ইঞ্চির মনিটরগুলো ১০৮০ পি বা ফুল এইচডি রেজল্যুশনের হয়ে থাকে এবং বাকি স্পেসিফিকেশনে তেমন বিশেষ কিছু থাকে না।

গেমিং মনিটর

বুঝতেই পারছেন এই বিভাগে হাই রিফ্রেশ রেট এবং বিভিন্ন প্যানেলের গেমিং ডিজাইনের গেমিং মনিটর নিয়ে আলোচনা করা হবে। সাধারণত হাই রিফ্রেশ রেঞ্জের শুরুটাই হয় ১৪৪ হার্জের মনিটর দিয়ে। ১৪৪ হার্জ থেকে ৩৮০ হার্জ পর্যন্ত মনিটর থাকলেও দেশের বাজারে বর্তমানে সর্বোচ্চ ২৮০ হার্জের মনিটর পাওয়া যাচ্ছে।

মনিটরগুলোর দাম নির্ভর করে মনিটরের আকার, হার্জের পরিমাণ, রেজল্যুশন, প্যানেলের ধরনের ওপর। একদমই এন্ট্রি লেভেলের একটি ১৪৪ হার্জের একটি মনিটর হলো স্যামসাং এলসি২৪আরজিএল৫০এফকিউডাব্লিউ (কার্ভড ভিএ প্যানেল), এলজি২৪জিএল৬০০এফ (ফ্ল্যাট টিএন প্যানেল)। আর এই রেঞ্জের প্রতিযোগিতামূলক গেমারদের অন্যতম পছন্দ বেনকিউ এক্সএল২৪১১পি মনিটরটি। ৩০ হাজার টাকার ভেতরে টিএন আর ভিএ প্যানেল পাওয়া গেলেও আইপিএস প্যানেলের ক্ষেত্রে আসুস ভিজি২৪৯কিউ,  ভিজি২৫৯কিউ বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

বাজেট যত বাড়তে থাকবে মনিটরগুলোতে ফিচার এবং হার্জের পরিমাণ ততই বাড়বে। প্যানেল এবং ফিচারভেদে মনিটরের দামের পার্থক্য হতে পারে।

এই গেমিং মনিটরগুলো কার্ভড এবং ফ্ল্যাট প্যানেলের হয়ে থাকে। কার্ভড প্যানেলগুলো ২৪ থেকে শুরু করে ৩২ ইঞ্চি হয়ে থাকে।

মনিটর পছন্দের ক্ষেত্রে এটা একেবারেই নিজের পছন্দ, আপনি কার্ভড প্যানেলে গেমিং করবেন, নাকি ফ্ল্যাট প্যানেলই—সেটা একান্তই আপনার পছন্দ।

ওয়ার্কস্টেশন নির্ভর মনিটর

এ প্রসঙ্গে বলতেই হয় বিভাগের মনিটরগুলো তাঁদের জন্য যাঁরা ফটো ভিডিও এডিট বা গ্রাফিক্যাল কাজকে খুবই গুরুত্বসহকারে করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে এই পেশার সঙ্গে যাঁরা জড়িত আছেন তাঁদের মনিটর থেকে শুধু চাই ভালো মানের অ্যাকিউরেট কালার এবং ভালো রেজল্যুশন। তাই বাজেটের ক্ষেত্রে কোনো কমতি থাকে না।

মনিটর ব্র্যান্ডগুলো এই পেশার মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে হাইলি কালার অ্যাকিউরেট মনিটর বানিয়ে থাকে। যেমন—আসুসের ক্ষেত্রে আসুস প্রোআর্ট সিরিজ, ডেলের ক্ষেত্রে ডেল আলট্রাশার্প সিরিজ, বেনকিউ এস ডাব্লিউ সিরিজ, এলজির ক্ষেত্রে এলজি ইউকে সিরিজের মনিটরগুলো অন্যতম।

এই মনিটরের অন্যতম প্রধান ফিচার হাইলি অ্যাকিউরেট এসআরজিবি, ডিসিআইপি-থ্রি কালার সাপোর্ট, ট্রু ১০ বিট বা তার বেশি কালার রেঞ্জ সমর্থন, এইচডিয়ার সাপোর্ট, ক্রোমা সাবস্যাম্পলিং ইত্যাদি।

যেহেতু আগেই বলা হয়েছে এই ধরনের মনিটরগুলো কোনো বাজেট মানে না, তাই এটি পুরোপুরি 
#18

গেম সাফল্যে দ্বিগুণ মুনাফা সনির


করোনা মহামারিতে বিভিন্ন ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গেম ব্যবসায় সাফল্যে দ্বিগুণ মুনাফা করেছে জাপানি কম্পানি সনি। গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে সনি জানায়, এপ্রিল-সেপ্টেম্বর ছয় মাসে তাদের নেট মুনাফা দ্বিগুণ হয়েছে। জাপানি এই প্রযুক্তি জায়ান্ট আগামী মাসে তাদের নতুন গেম প্লেস্টেশন-৫ কনসোল ছাড়তে যাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এটিতেও দারুণ সাড়া মিলবে। সনি জানায়, বছরের প্রথম ছয় মাসে তাদের নেট মুনাফা ১০৩.৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬৯২.৮৯ বিলিয়ন ইয়েন (৬.৬৫ বিলিয়ন ডলার)।

Source: https://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2020/10/29/970367
#19

স্মার্টফোনে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ


'আরবানলুপ' নামক এই ক্যাপসুল হতে পারে আগামী দিনের জ্বালানি সাশ্রয়ী পরিবহন। এক বা একাধিক যাত্রী চলাচল করতে পারবে বৈদ্যুতিক ও স্বচালিত এই গাড়িতে, আগামী মে মাসে আনুষ্ঠানিক পরীক্ষায় সফল হলে ২০২৪ সালে এই গাড়ি রাস্তায় দেখা যাবে। যাত্রী নিজেই স্মার্টফোনে এটি নিয়ন্ত্রণ করবেন।



সূত্র : এএফপি।
#20

স্মার্টফোন বাজারে আবারও শীর্ষে স্যামসাং


স্মার্টফোনের বিশ্ববাজারে এ বছরের এপ্রিলে হুয়াওয়ের কাছে শীর্ষস্থান হারানোর পর আগস্ট নাগাদ তা পুনর্দখল করেছে স্যামসাং। বাজারের মোট হিসসার ২২ শতাংশ এই দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির দখলে রয়েছে বলে জানায় কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ। ১৬ শতাংশ শেয়ার নিয়ে বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে হুয়াওয়ে। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ জানায়, লকডাউনের সময়ে বিশ্বের বেশ কিছু বাজারে নিষেধাজ্ঞাজনিত জটিলতার কারণে স্যামসাংয়ের বাজার হিসসা ২০ শতাংশে নেমে আসে।

Source: https://www.kalerkantho.com/print-edition/tech-everyday/2020/10/29/970365